• ইউকে
  • 12:42 21 মার্চ 2010
  • |    Dhaka
  • 18:42 21 মার্চ 2010

নাগরিকত্ব জরিপ

যুক্তরাজ্যের কমিউনিটি এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ জরিপে দেখা যায় বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠী সদস্যরা তাদের ব্রিটিশ পরিচয়ের সাথে এবং স্থানীয় কমিউনিটির সাথে একাত্ববোধ করে, এবং তাদের জীবন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক ভাবে প্রভাবিত করতে সক্ষম বলেও মনে করে। অনেক ক্ষেত্রেই সত্যিকারভাবে সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর সদস্যরা, যার মধ্যে ব্রিটিশ বাংলাদেশীরাও রয়েছে, জীবন সম্পর্কে শ্বেতাঙ্গ নাগরিকদের  চাইতে বেশি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী পোষণ করে।

  • বাংলাদেশী বংশোদ্ভুতদের ৮৮% জোরালোভাবে ব্রিটেনের সাথে একাত্ববোধ করে। শ্বেতাঙ্গদের ক্ষেত্রে এই হার ৮৪%
  • বাংলাদেশী বংশোদ্ভুতদের ৭৮% স্থানীয় কমিউনিটির সাথে একাত্ববোধ করে। শ্বেতাঙ্গদের ক্ষেত্রে এই হার ৭৫%।
  • বাংলাদেশী বংশোদ্ভুতদের ৫০% বিশ্বাস করে যে তাদের স্থানীয় এলাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এমন সিদ্ধান্তকে তারা প্রভাবিত রতে সক্ষম। শ্বেতাঙ্গদের ক্ষেত্রে এই হার ৩৭%।
  • ১৬-২৪ বছর বয়সীদের ৯৩% নিয়মিতভাবে অন্য ধর্মীয় বিশ্বাস বা জাতিগোষ্ঠীর লোকদের সাথে মেলামেশা করে।

বাংলাদেশে ব্রিটিশ ডেপুটি হাই কমিশনার ডানকান নরমান বলেন, “আমরা ব্রিটেনের বর্ধনশীল বহুসংস্কৃতির সমাজ নিয়ে গর্বিত যেখানে জাতিগোষ্ঠী বা ধর্মীয় পরিচয় ব্যতিরেকেই মানুষকে সম্মান করা হয়। এই জরিপে অংশ নেয়া বিভিন্ন স্তরের মানুষেরা এটা নিশ্চিত করেছেন যে ব্রিটিশ-বাংলাদেশীসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর সদস্যরা যুক্তরাজ্যের জীবন সম্পর্কে একটি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে। জনগণকে নাগরিক জীবনে আরও সম্পৃক্ত করা এবং বর্ণবাদী ভীতি দমন করার জন্য অবশ্যই আরও অনেক কিছু করণীয় আছে। কিন্তু আমরা জনগণের ক্ষমতায়ন ও একাতœতাবোধ সৃষ্টির জন্য সবকিছু করবো-আর জরিপটি এক্ষেত্রে একটি উৎসাহবর্ধকের কাজ করেছে”।

কমিউনিটি ও স্থানীয় সরকার বিভাগের নাগরিকত্ব জরিপ ২০০৭/০৮ ছিল নাগরিকত্বের মৌল উপাদানসমূহের বিষয়ে জনগণের মতামত জানার খানাভিত্তিক নমুনা জরিপ। এই বছরের জরিপ এপ্রিল ২০০৭ হতে মার্চ ২০০৮ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১০,০০০ ব্যক্তির প্রতিনিধিত্বমূলক নমুনা ও সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য ৫,০০০ ব্যক্তির সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠী নমুনা অন্তর্ভূক্ত ছিল। ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার আরও বলেন, “এই জরিপ যে বিষয়গুলো আমরা ইতিমধ্যে জানি তাকে আরও জোরদার করেছে ঃ বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ব্রিটনরা তাদের দুই পরিচয়ের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব বা বৈপরীত্য আছে বলে মনে করেন না। তারা ব্রিটিশ জীবনের সকল ক্ষেত্রে মূল্যবান অবদান রাখছেন-যা আরও বেশি মনোযোগ এবং সম্মান দাবী করে”।





শুরুতে ফিরে যান